Chittagong City Corporation Polices Stations and Wards

Chittagong City Corporation Polices Stations and Wards

Chittagong City Corporation Polices Stations and Wards

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

প্রস্তাবনা:

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (সিটিকর) বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের একটি প্রশাসনিক এবং মানবসম্প্রদায়ি সংগঠন। এটি নগরপালিকা নামক একটি শহর প্রশাসনিক একক হিসেবে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে। এটি শহরের উন্নতি, প্রস্তুতি ও অন্যান্য প্রশাসনিক কাজের জন্য প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক সুযোগ সৃষ্টি করে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাজ:

পরিকল্পনা ও উন্নতি:

সিটিকর চট্টগ্রাম শহরের উন্নতি ও পরিকল্পনার জন্য প্রযুক্তিগত এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি করে। শহরের বাস্তবায়ন, সড়ক নির্মাণ, মানবসম্প্রদায়ি প্রকল্প এবং অন্যান্য জনগণের জীবনের উন্নতির লক্ষে সিটিকর কাজ করে।

পরিষেবা ও সৌন্দর্য ব্যবস্থাপনা:

সিটিকর শহরের পরিষেবা ও সৌন্দর্য ব্যবস্থাপনা করে। এটি শহরে সার্বিক সৌন্দর্য বজায় রাখার জন্য প্রযুক্তিগত এবং আদর্শ প্রকল্প চালায়।

জনসংখ্যা এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ:

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শহরের জনসংখ্যা এবং নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে মাত্রা নেয়। এটি নগরপালিকার নির্দেশাবলীতে প্রকল্প প্রয়োজনে বিনা-নগরপালিকা অঞ্চলে জনসংখ্যা ও প্রতিষ্ঠানের বৃদ্ধির নির্দেশনা দেয়।

পরিবন্ধক প্রকল্প:

সিটিকর পরিবন্ধক প্রকল্প চালায় যাতে শহরের প্রতি সময়ে যে যে জমি বা স্থান ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে, তা অনুসারে নগরপালিকা পরিচালনা করতে পারে।

পরিবহন ও যানবাহন ব্যবস্থাপনা:

চট্টগ্রাম শহরের পরিবহন এবং যানবাহন ব্যবস্থাপনার জন্য সিটিকর বিশেষভাবে কাজ করে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, সড়ক পরিকল্পনা, এবং অন্যান্য যানবাহন সেবা উন্নত করার জন্য তারা নতুন প্রকল্প চালায়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক দক্ষতা:

সিটিকর একই সময়ে শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রশাসনিক কাজ চালায়। তাদের কর্মক্ষমতা এবং প্রযুক্তিগত সুযোগগুলি চট্টগ্রাম শহরকে একটি উন্নত, ন্যায্য, এবং বিবাদমুক্ত শহর হিসেবে সার্বজনিক মনে হোকার জন্য উত্সাহিত করে।

আয়তন:

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মোট আয়তন ১৬০.৯৯ বর্গ কিলোমিটার।

জনসংখ্যা:

২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মোট জনসংখ্যা ৩২,২৭,২৪৬ জন। এতে পুরুষ ১৬,৭৩,৬২৭ জন, মহিলা ১৫,৫৩,২৫২ জন এবং হিজড়া ৩৬৭ জন রয়েছে। এছাড়াও জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২০,৭৬৭ জন।

অবস্থান ও সীমানা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহর প্রশাসনিক একক। এটি চট্টগ্রাম জেলার অংশ এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এরিয়ার একটি অংশ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অধীনে একটি অঞ্চল পরিষদ অবস্থিত আছে যা শহরের প্রশাসনিক কাজ নির্বাহ করে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বলা হলে, এটি দক্ষিণে বয়ে আছে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে চট্টগ্রাম জেলা, উত্তরে ফেনী জেলা, পশ্চিমে বান্দর উপজেলা এবং মুরাদনগর উপজেলা অবস্থিত।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে ২২°১৩' থেকে ২২°২৭' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৪০' থেকে ৯১°৫৩' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অবস্থান। এর দক্ষিণে আনোয়ারা উপজেলা; পূর্বে পটিয়া উপজেলা কর্ণফুলী উপজেলা, বোয়ালখালী উপজেলা ও রাউজান উপজেলা; উত্তরে হাটহাজারী উপজেলা ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং পশ্চিমে সীতাকুণ্ড উপজেলা ও বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

ইতিহাস

১৮৬৩ সালের ২২ জুনে 'চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটি' গঠিত হয়। ১৯৮৪ সালে এর প্রশাসন ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৮ জন কমিশনারের সমন্বয়ে পরিষদ গঠন করা হয়। সে সময়ে চট্টগ্রাম শহরের সাড়ে চার বর্গমাইল এলাকা উক্ত মিউনিসিপ্যালিটির আওতাধীন ছিল। প্রথমে ৪টি ওয়ার্ডে মিউনিসিপ্যালিটি বিভক্ত থাকলেও ১৯১১ সালে এ, বি, সি, ডি এবং ই নামে ৫টি ওয়ার্ড সৃষ্টি করা হয়। জে ডি ওয়ার্ড ছিলেন চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটির প্রথম প্রশাসক এবং খান বাহাদুর আবদুচ ছত্তার ছিলেন প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান। পরবর্তীতে ত্রিশ বছর ধরে চেয়ারম্যান ছিলেন নূর আহমদ।

১৯৭৭ সালের ২৯ জুন চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটির নাম পরিবর্তন করে 'চট্টগ্রাম পৌরসভা' নামকরণ করা হয়। চট্টগ্রাম পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন ফজল করিম। এই পৌরসভার কাজ ছিল শহুরেদের কাছ থেকে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানির হোল্ডিং ও জেটি কর, গৃহায়ণ কর, ভূমি কর এবং (১৮৯৬ সাল থেকে) পয়ঃনিষ্কাশন কর আদায় করা। ১৯০৬ সাল থেকে শুরু হয় ফেরি কর ও টোল কর আদায়। ১৯৫‌৬ সালে কর আদায়ের সাফল্যের জন্য চট্টগ্রাম পৌরসভার প্রথম সরকারি অর্থ সাহায্যের জন্য সরকারি অর্থ সাহায্যের তালিকায় নথিভুক্ত হয়।

১৯৮২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম পৌরসভাকে 'চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে' উন্নীত করা হয়। এই সময়ে এর আওতাধীন এলাকা হয় সর্বমোট ৬০ বর্গমাইল। প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন ব্রিগেডিয়ার মফিজুর রহমান চৌধুরী।

১৯৯০ সালের ৩১ জুলাই চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তিত করে 'চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন' নামকরণ করা হয়। সরকার কর্তৃক মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীকে মেয়র নিযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালের প্রথম নির্বাচন পর্যন্ত মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৯৪ সালের প্রথম নির্বাচনে এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০১৫ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন আ জ ম নাছির উদ্দিন।

সেবা সমূহ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পৌরসভা অধীনে শহরের মৌলিক অবকাঠামো পরিচালনা এবং সরবরাহ করতে কাজ করে।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

পানি পরিশোধন এবং সরবরাহ করা হয়।

দূষিত পানি এবং নিকাশী শোধন এবং নিষ্পত্তি করা হয়।

জলাবদ্ধতা নিরসন করা হয়।

আবর্জনা অপসারণ এবং রাস্তার পরিচ্ছন্নতা করা হয়।

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হয়।

হাসপাতাল ও ডিসপেনসারি ব্যাবস্থা করা হয়।

রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

রাস্তার বৈদ্যুতিক লাইট স্থাপন করা হয়।

রাস্তার গাড়ি পার্কিং স্থাপন করা হয়।

পার্ক এবং খোলা জায়গা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

কবরস্থান এবং শ্মশান রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ পত্র তৈরি করা হয়।

ঐতিহ্যবাহী স্থান সংরক্ষণ করা হয়।

রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং টিকাদান করা হয়।

সরকারি সিটি কর্পোরেশন স্কুল ও কলেজ স্থাপন করা হয়।


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ড

ওয়ার্ড ১:  দক্ষিণ পাহাড়তলী

ওয়ার্ড ২: আমিরাবাদ

ওয়ার্ড ৩: খুলশী

ওয়ার্ড ৪: চকবাজার

ওয়ার্ড ৫: বকসীবিল

ওয়ার্ড ৬: বায়জিদ বোস

ওয়ার্ড ৭: চাকবাজার

ওয়ার্ড ৮: চান্দগাও

ওয়ার্ড ৯: দেবদাসবাড়ী

ওয়ার্ড  ১০: কটওয়ালি

ওয়ার্ড ১১: কমলাপুর

ওয়ার্ড ১২: কাপাসগুলি

ওয়ার্ড ১৩: কতবাজার

ওয়ার্ড ১৪: খোজাবাগান

ওয়ার্ড ১৫: লাক্স্মীবাজার

ওয়ার্ড ১৬: বালাইচড়া

ওয়ার্ড ১৭: বকসাইঘাট

ওয়ার্ড ১৮: চিকিৎসাকুটি

ওয়ার্ড ১৯: খোরশয়ার

ওয়ার্ড ২০: ললমাইয়া

ওয়ার্ড ২১: বাকলিয়া

ওয়ার্ড ২২: লাকস্মীবাজার

ওয়ার্ড ২৩: মেহরপুর

ওয়ার্ড ২৪: মুরাদপুর

ওয়ার্ড ২৫: নানুপুর

ওয়ার্ড ২৬: ফজলাবাদ

ওয়ার্ড ২৭: গান্ধীপুর

ওয়ার্ড ২৮: বাদরহাট

ওয়ার্ড ২৯: চৌরাঁগা

ওয়ার্ড ৩০: পাটুয়াখালী

ওয়ার্ড ৩১: পাহাড়িশুর

ওয়ার্ড ৩২: পুবালীশ্বর

ওয়ার্ড ৩৩: রাউজান

ওয়ার্ড ৩৪: বড়বাজার

ওয়ার্ড ৩৫: বুয়েট

ওয়ার্ড ৩৬: বকসাইঘাট

ওয়ার্ড ৩৭: চান্দগাও

ওয়ার্ড ৩৮: জোরারপুর

ওয়ার্ড ৩৯: মোহরগাঁও

ওয়ার্ড ৪০: মাছেরখান

ওয়ার্ড ৪১: মেহেরপুর

প্রশাসনিক এলাকা

১৯৭৮ সালের ৩০ নভেম্বরে, চট্টগ্রাম মহানগরকে হাটহাজারী উপজেলার একটি ওয়ার্ড সহ আরো ৬টি মেট্রোপলিটন থানার অধীনে সর্বমোট ৪১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।

পরবর্তীতে, ২০০০ সালের ২৭ মেঃ ৬টি মেট্রোপলিটন থানাকে বিভক্ত করে আরো ৫টি ও কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ-পূর্বাংশের ৮টি ইউনিয়ন (১টির আংশিক) নিয়ে গঠিত কর্ণফুলী থানাসহ সর্বমোট ৬টি নতুন মেট্রোপলিটন থানা গঠিত হয়।

২০১৩ সালের ৩০ মেঃ ৭টি মেট্রোপলিটন থানাকে বিভক্ত করে নতুন আরো ৪টি মেট্রোপলিটন থানা গঠন করা হয়।

থানাসমূহ

চট্টগ্রাম মহানগরীতে এখন পর্যন্ত ১৬টি থানা রয়েছে। এগুলি হলো:

আকবর শাহ থানা

বায়জিদ বোস থানা

চাকবাজার থানা

কোতওয়ালী থানা

দৌলতপুর থানা

ইপজিএজ থানা

হালিশহর থানা

খালিশপুর থানা

খুলশি থানা

লক্ষ্মীবাজার থানা

পাহাড়তলী থানা

পাটিয়া থানা

পালবাারী থানা

রেজারবাজার থানা

সিতাকুন্ডি থানা

সোনারগাঁও থানা

বৃদ্ধিত সিটি কর্পোরেশন

কোলাগাঁও ইউনিয়ন -               পটিয়া উপজেলা

চর পাথরঘাটা ইউনিয়ন -           কর্ণফুলি উপজেলা

চর লক্ষ্যা ইউনিয়ন -                  কর্ণফুলি উপজেলা

জুলধা ইউনিয়ন -                       কর্ণফুলি উপজেলা

পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়ন -     বোয়ালখালী উপজেলা

বড় উঠান ইউনিয়ন -                 কর্ণফুলি উপজেলা

বৈরাগ ইউনিয়ন (আংশিক) -     আনোয়ারা উপজেলা

শিকলবাহা ইউনিয়ন -                কর্ণফুলি উপজেলা

সলিমপুর ইউনিয়ন (আংশিক) - সীতাকুণ্ড উপজেলা

প্রশাসক, চেয়ারম্যান এবং মেয়রগণের তালিকা

 ক্রম নং        নাম                                 পদবী                             সময়কাল

০১        জে ডি ওয়ার্ড                   প্রশাসক (মনোনীত)           ১৮৬৪-১৮৬৭

০২        কার্কউড                             প্রশাসক                           ১৮৬৭-১৮৬৮

০৩        সি এ স্যামুয়েলস               প্রশাসক                            ১৮৬৮-১৮৭৮

০৪        এইচ টি এস কার্টন            প্রশাসক                            ১৮৭৮-১৮৭৯

০৫         সি এ স্যামুয়েলস             প্রশাসক                              ১৮৭৯-১৮৮৪

০৬         এ আর এস এন্ডারসন      প্রশাসক                               উল্লেখ নাই

০৭            গুড                               প্রশাসক                                উল্লেখ নাই

০৮          কে বি আমান আলী       চেয়ারম্যান (মনোনীত)         ১৯১৬-১৯১৯

০৯         খান বাহাদুর আবদুচ ছত্তার    প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান  ১৯১৯-১৯২৯

১০           নূর আহমদ                         চেয়ারম্যান                           ১৯২১-১৯৫৪

১১         রফিক উদ্দিন সিদ্দিকী          চেয়ারম্যান                            ১৯৫৫-১৯৫৮

১২       হাসান জহুর (সি.এস.পি.)           প্রশাসক                           ৩০ অক্টোবর, ১৯৫৮ থেকে                                                                                                                        ১০ নভেম্বর, ১৯৫৮

১৩      এন আই খান                  প্রশাসনিক অফিসার                    ১১ নভেম্বর, ১৯৫৮ থেকে ১৬                                                                                                                       ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৯

১৪ সামসুদ্দিন আহমদ          প্রশাসনিক অফিসার                            ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৯ থেকে ১                                                                                                                     নভেম্বর, ১৯৬০

১৫   লেফ: কর্নেল (অব.) জহুরুল হাসান  চেয়ারম্যান ও প্রশাসক   ১০ নভেম্বর, ১৯৬০ থেকে ২৪                                                                                                                        জানুয়ারি, ১৯৬৯

১৬ এরশাদ হোসেন চেয়ারম্যান ও প্রশাসক                                   ২৫ জানুয়ারি, ১৯৬৯ থেকে                                                                                                                        ২৫  মার্চ, ১৯৬৯

১৭ মোহাম্মদ আমজাদ প্রশাসক                                                    ২৫ মার্চ, ১৯৬৯ থেকে ২২                                                                                                                            এপ্রিল, ১৯৬৯

১৮ শরাফত উল্লাহ চেয়ারম্যান ও প্রশাসক                                      ২২ এপ্রিল, ১৯৬৯ থেকে ৫                                                                                                                             ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২

১৯ মোহাম্মদ হোসাইন    ই.পি.সি.এস, প্রশাসক                                         ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ থেকে                                                                                                                          ২ মে, ১৯৭২

২০  এ এন এম জাহেদ    ই.পি.সি.এস, প্রশাসক                                           ২ মে, ১৯৭২ থেকে ২৮                                                                                                                                 জুন, ১৯৭২

২১ এনায়েত হোসেন   ই.পি.সি.এস, প্রশাসক                                          ২৮ জুন, ১৯৭২ থেকে ২৫                                                                                                                           ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য:

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে আপনার বিশেষ তথ্য অথবা অনুভূতি জানানো আসতে হবে যেগুলি না আছে। তবে, চট্টগ্রাম একটি বৃহত্তর শহর হিসেবে প্রসিদ্ধ এবং এটির আশেপাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনেকটাই উপস্থিত থাকতে পারে। এর মধ্যে কিছু আপনাকে আকর্ষণ করতে পারে:

কারণছড়ি পাহাড়: চট্টগ্রামে অবস্থিত কারণছড়ি পাহাড় একটি নৈসর্গিক আকর্ষণ, যেটি শহরের উচ্চ স্থানে অবস্থিত।

বায়া বেচ: চট্টগ্রামে সুন্দর বায়া বেচ পাওয়া যায়, যা সমুদ্র তৈরি করে এবং প্রশান্ত সমুদ্র পৃষ্ঠতলে সুন্দর দৃশ্য উৎপন্ন করে।

পতেঙ্গা মিয়ার দীঘি: পতেঙ্গা মিয়ার দীঘি একটি প্রশান্ত জলবায়ু এবং আত্মীয়স্থ পানীয় জীবন উপভোগ করতে সমৃদ্ধ।

ফয়েজল লেইক: ফয়েজল লেইক একটি আপনপ্রকাশিত জলদ্বীপ, যেটি চট্টগ্রাম শহরে একটি শান্ত অঞ্চল তৈরি করে।

চেঁড়াবক: চট্টগ্রামের অবস্থান একটি সুন্দর চেঁড়াবক, যা দীর্ঘকাল ধারা করতে পারে।

এই স্থানগুলি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অংশ হিসেবে অত্যন্ত পুরস্কৃত এবং দর্শনীয়।

All

bestdataarticle.blogspot.com

https://www.facebook.com/Bangladeshi-Jobs-24-103690384717095/

Comments